Friday, July 22, 2011

দি কনসার্ট ফর বাংলাদেশ 1971



দি কনসার্ট ফর বাংলাদেশ =================== আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়ছি আর সেই সব ভিনদেশী মানুষ গুলো আমাদের জন্য চেষ্টা করছে তাও আবার যে দেশটি চায় না স্বাধীন হোক এই দেশটা,সেই মাটিতেই! যে সময় জেনেছি এই ব্যাপারটি তখন থেকেই আমার এই মনের ভেতর যেন আজীবনের জন্য গেথে গিয়েছে কিছু নাম। সবসময়ের শ্রদ্ধা আর ভালবাসা থাকবে এই সব গুনী মানুষদের জন্য,যাদের প্রান কেদেছিল এই আমার মাটি আর মানুষের জন্য ১৯৭১ এর স্বাধীনতা সংগ্রামকালীন সময়ে। প্রায় চল্লিশ হাজার দর্শক এর সামনে নিউইয়র্ক এর সেই বিখ্যাত মেডিসন স্কয়ার গার্ডেনের মায়াভরা জায়গাটায় সবাই যেন এক হয়ে গিয়েছিল আমাদের এই বাংলাদেশ নামক একটি ছোট্র দেশের বিপদের সময়টায়। কেন জানি বিশ্বাস হয় সেই সময়ের কনসার্টে যারাই দর্শক হিসেবে অংশ নিয়েছিল তারা সবাই ই আমাদের দেশের শুভ কামনার জন্যই জড়ো হয়েছিল। এ স্মৃতি কি কখনো মুছে ফেলা যায়! এ যে কখনো হারাবারও নয়! ৭১এর সেই বিপর্যয়ের সময়ে ফান্ড সংগ্রহ করার জন্য কনসার্ট। আর এর জন্য একা জর্জ হ্যারিসনই তার প্রিয় ব্যান্ডের প্লাটফর্ম এ না গেয়ে প্রতিবাদি হয়ে বাংলাদেশের অসহায় মানুষের পাশে এসে দাড়ান সংগীতের মাধ্যমে। সময়টা ছিল আগষ্ট এর ১ তারিখ,১৯৭১ সাল। প্রথম শুরু করেছিলেন পন্ডিত রবি শঙ্কর এর সেতার সাথে ওস্তাদ আলী আকবর খানের সরোদ দিয়ে সে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নেয়া কনসার্ট – দি কনসার্ট ফর বাংলাদেশ। আর তো ছিলেন’ই সে কালজয়ী তবলা বাদক ওস্তাদ আল্লারাখা এবং তাম্বুরায় কমলা চক্রবর্তী। পরে একে একে সবাই পারফর্ম করেন স্টেজে।সেই কনসার্ট থেকে অর্জিত সব অর্থ পরে ইউনিসেফের সহায়তায় বাংলাদেশের যুদ্ধ ক্ষতিগ্রস্থ শিশুদের সহায়তার কাজে ব্যয় করা হয়। আপনাদের সবার সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছে হলো এই অসাধারন একটি জ্বলন্ত ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে থাকা এই ডকুমেন্টসটি।

Tuesday, July 12, 2011

**মাত্র কয়েক মিনিটেই উদ্বেলিত করলেন সবাইকে। বক্তব্যও মাত্র তিন কি চার মিনিট ,প্রমাণ করলেন জাতির জনকের যোগ্য উত্তরসূরি তিনিই

**মাত্র কয়েক মিনিটেই উদ্বেলিত করলেন সবাইকে। বক্তব্যও মাত্র তিন কি চার মিনিট ,প্রমাণ করলেন জাতির জনকের যোগ্য উত্তরসূরি তিনিই। 
by Mh Roony 
**মাত্র কয়েক মিনিটেই উদ্বেলিত করলেন সবাইকে। বক্তব্যও রাখলেন পাশ্চাত্যের নেতাদের মতোই, মাত্র তিন কি চার মিনিট। কিন্তু স্বল্পসময়েই চেনালেন নিজের জাত। প্রমাণ করলেন জাতির জনকের যোগ্য উত্তরসূরি তিনিই।**

আসলেন, বসলেন এবং জয় করলেন সবার মন। হোক না তাঁর পেশা তথ্যপ্রযুক্তির। কিন্তু ধমনীতে যে বইছে বাংলাদেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের রক্ত। এ কারণেই অর্ধশত বছরেরও পুরনো ঐতিহ্যবাহী ছাত্রলীগের ২৭তম সম্মেলন শুনে গণভবনে নিশ্চুপ বসে থাকতে পারেননি তারম্নণ্যের প্রতীকে পরিণত হয়ে ওঠা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র পুত্র তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সজীব ওয়াজেদ জয়।
সকলকে অবাক করে রবিবার দুপুরে আকস্মিককভাবেই বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনস্থলে উপস্থিত হন তিনি। মাত্র কয়েক মিনিটেই উদ্বেলিত করলেন সবাইকে। বক্তব্যও রাখলেন পাশ্চাত্যের নেতাদের মতোই, মাত্র তিন কি চার মিনিট। কিন্তু স্বল্পসময়েই চেনালেন নিজের জাত। প্রমাণ করলেন জাতির জনকের যোগ্য উত্তরসূরি তিনিই। কয়েক বাক্যেই যা বলার বললেন সব। তাতে যেমন ছিল দিকনির্দেশনা, তেমনি ছিল দেশ ও জাতির জন্য কিছু করার বলিষ্ঠ শপথ। এতে জয় করলেন সবার মন।
আগে কয়েকটি সভা-সমাবেশ, কর্মিসভা ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সেমিনারে বক্তব্য দিলেও সহযোগী কিংবা কোন ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের জাতীয় সম্মেলনে সজীব ওয়াজেদ জয়ের উপস্থিতি ও বক্তব্য রাখার ঘটনা এই প্রথম। কিন্তু কর্মসূচীর নির্ধারিত বক্তার তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। সকাল সোয়া ১১টায় প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। চলছিল ধারাবাহিক বক্তৃতার পালা।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের আগে সর্বশেষ বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওবায়দুল কাদের। তখন বেলা পৌনে বারোটা হবে। আকস্মিক সম্মেলনস্থলে উপস্থিত তারম্নণ্যের ঢেউ থেকে শুরম্ন হলো গগনবিদারী সেস্নস্নাগান। ‘সজীব জয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ সেস্নস্নাগানে মুখরিত হয়ে উঠল বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারের পুরো এলাকা।
হাজার হাজার ছাত্রলীগ নেতাকমর্ীর তুমুল করতালি ও সেস্নাগানের মধ্যে সবাইকে অবাক করে দিয়ে আসত্মে আসত্মে সম্মেলনের মূল মঞ্চে উঠলেন নীল শার্ট পরা সুদর্শন সজীব ওয়াজেদ জয়। একটি চেয়ার এনে তাঁকে বসতে দেয়া হলো আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পাশে।
শুধু উপস্থিত হলেন না, মাত্র ৩/৪ মিনিট বক্তব্য দিয়ে সবার মন জয় করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। বক্তৃতার শুরম্নতেই ছাত্রলীগের সম্মেলনের সফলতা এবং সারাদেশ থেকে আগত নেতাকমর্ীদের শুভেচ্ছা জানান তিনি। জাতীয় নেতৃত্ব গঠনে ছাত্রলীগের বিশাল ভূমিকার কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র জয় বলেন, ছাত্রলীগের সম্মেলনে এসে আমি আনন্দিত। ডেলিগেটর ও কাউন্সিলরদের শুভেচ্ছা জানাতেই সম্মেলনে এসেছি।
ছাত্রলীগের ২৭তম জাতীয় সম্মেলনের সফলতা কামনা করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে ৰমতায় এসেছে। আমাদের সুযোগ এসেছে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার। তিনি বলেন, ছাত্রলীগই আগামী দিনের ভবিষ্যত। ছাত্রলীগের ভবিষ্যত নেতৃত্ব দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।